আউটসোর্সিং একটি সম্ভাবনাময় পেশা কিন্ত ……

সময়ের পরিক্রমায় মানুষের পেশা জীবনেও এসেছে পরিবর্তন। ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন ঘরে বসেই মানুষ সহজেই অনেক কাজ সেরে ফেলতে পারছে। যেখানে ইনটারনেটের কল্যাণে মিনিটেই বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টাকা-পয়সা লেন-দেন বা বিল পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে সেখানে অন্যসব কাজ করিয়ে নেয়া বা করে দেয়া তো একটা সাধারণ ব্যাপার মাত্র। আর ঘরে বসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাজ সংগ্রহ করে তা করে দিয়ে অর্থ উপার্জন করাই হলো আউটসোর্সিং। বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় পেশা। কিন্তু এই পেশায় আমাদের বড় প্রতিবন্ধকতা হলো (১) আমরা সব জানতা শমসের মানে “আমরা সব জানি আসলে খুব একটা পারি না”। (২) ইংরেজীতে যোগাযোগে আমরা ভীষণ দূর্বল তাই অনেক জানা কাজও করা সম্ভব হয়না না বোঝার কারণে কিংবা কাজ দাতার সাথে যোগাযোগ করতে না পারার কারণে। সুতরাং আউটসোর্সিং করতে হলে আমাদের কেবল কাজ জানলেই হবে না বরং অবশ্যই কাজে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সেইসাথে ইংরেজীতে প্রদত্ত কাজের বিবরণ পড়ে বোঝার মত সক্ষমতা এবং কাজ দাতার সাথে যোগাযোগ করার ক্ষমতাও অবশ্যই থাকতে হবে। অন্যথায় আউটসোর্সিং কেবল স্বপ্নই থেকে যাবে বাস্তবে এর কোন সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।

Over the time, the profession has changed lives. Thanks to the Internet at home now a lot of people able easily to recover. A few times from the edge of the world where the Internet for the benefit of the money to the other end of the transaction, or being able to pay bills or to be taken to work in the other is a simple matter. The collection of the works from all over the world at home if it is to earn money is called outsourcing. For a developing country like Bangladesh it’s a promising career. But the biggest obstacle in this profession: (1) A little knowledge is a dangerous thing that means “We know everything but we cannot actually do so.” (2) We are very weak in English, so not possible to perform the job which we know for not understanding or failing to communicate with the donor. So, if we want to earn money by outsourcing of course we do not have to handle things just need to be skills. As well as need to have ability understanding the given the job description of the English language and must be able to communicate with the donors. Otherwise, outsourcing only a dream of us and actually it is not possible to get any benefits.